স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর হরিহরদী সেতুর মাধ্যমে এলাকাবাসীর স্বপ্নপূরণ করলেন এমপি খোকা। - আজকের সংবাদ

সদ্য পাওয়া

Home Top Ad

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৯২৬৮৭০৭২৭

Post Top Ad

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৯২৬৮৭০৭২৭

শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২০

স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর হরিহরদী সেতুর মাধ্যমে এলাকাবাসীর স্বপ্নপূরণ করলেন এমপি খোকা।


স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর হরিহরদী সেতুর মাধ্যমে এলাকাবাসীর স্বপ্নপূরণ করলেন এমপি খোকা।





মোঃনুর নবী জনিঃ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর হরিহরদী সেতু স্থাপন করে এলাকাবাসীর স্বপ্নপূরণ করে দেখালেন এমপি খোকা।





উপজেলার সনমান্দী ও জামপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে ব্রহ্মপুত্র নদ হরিহরদী ও মুছারচরের সংযোগ সেতু শুভ উদ্বোধনের অপেক্ষায় আছে। জানা যায়,স্বাধীনতার পরবর্তী ৪৬ বছর পেরিয়ে গেলেও এলাকাবাসী স্বপ্ন পূরণে কেহ এগিয়ে আসেনি।অবশেষে এগিয়ে গেলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ)আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা।





তারই ধারাবাহিকতা নারায়ণগঞ্জ-৩(সোনারগাঁ) আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা নির্বাচিত হওয়ার পর হরিহরদী ও মুসারচর সংযোগ সেতু ভিত্তিপ্রস্তরের আগে সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলেন এমপি খোকাসহ উপজেলার কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যান বৃন্দ। পরিদর্শনকালে এলাকার এক ৮৫ বছরের বয়স্ক লোক এমপি খোকাকে উদ্দেশ্য করে বলেন কত আইলো আর গেল এখন এসেছে খোকা সে এক নম্বর বোকা,কথাটি শুনে এমপি খোকা বয়স্ক লোকটিকে ডেকে বললেন চাচা এই ব্রীজটি হবে ইনশাআল্লাহ, ঠিক তখনি বয়স্ক লোকটি বলে উঠলো মোবারক সাহেব,হাসনাত সাহেবও গেলো মন্ত্রী রেজাউল সাহেবও গেলো তারাই পারে নাই আর আপনি হইলেন খোকা এই ব্রীজ কোন দিনই হইবো না বলে লোকটি চলে যেতে চাইলে এমপি খোকা লোকটিকে বললেন ঠিক আছে চাচা ব্রীজ হলে হবে না হলে না হবে আসেন একটু বুকটা মিলাই সেই বৃদ্ধা রেগে এমপি খোকাকে চ্যালেন্জ ছুড়ে দিয়ে বলে উঠলো যে দিন আপনি এই ব্রীজটি করতে পারবেন সেদিনই আপনার সাথে বুক মিলাবো এই বলে চলে গেলো, তার কিছুখন পর সাঁকো দিয়ে এপার থেকে ওপার যেতেই সাঁকো নিয়ে এমপি খোকাসহ চেয়ারম্যান ও উপজেলার কর্মকর্তারা ভেঙ্গে পরলো পানিতে তার কয়েক মাস পরেই এই ব্রীজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।





এলাকাবাসীর দীর্ঘ দিনের স্বপ্নপূরণের ব্রীজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা লোক মুখেনশুনে সেই সেই বৃদ্ধ গিয়ে হাজির সেখানে এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা তাকে চিনতে না পেরে আগের কথা মনে করে বলতেই বৃদ্ধ এমপি খোকাকে বললেন আমিই সেই লোক যে আপনার সাথে বুক মেলাতে চাইনি আমরা এতোটা ধোকা খেয়েছি যে এখন দই দেখলেও চুনের ভয়ে খাইনা আমরা সন্মানদী বাসী ধন্য আপনার মতো এমন এমপি পেয়ে।





তার পরই এই ব্রীজের কাজ দ্রুততার সাথে সম্পর্ন হতে চললো এতে করে সোনারগাঁয়ের জামপুর ইউনিয়নের মুছারচর, চরতালিমাবাদ, রাজাপুর ও সনমান্দী ইউনিয়নের দড়িকান্দি, হরিহরদী, টেমদী, বিজয়নগর, আলমদী, দক্ষিণপাড়া, মুসুরদী, আটবাড়ি, খৈতেরগাঁও, ছনকান্দা, দড়িকান্দী, লেদামদী, সনমান্দী, ফতেপুর, ফতেপুর দড়িকান্দী, গাঙ্গুলকান্দী, নোয়াকান্দীসহ ৩৫/৪০ গ্রামের মানুষের সামাজিক, অর্থনৈতিক উন্নয়ণে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে সেতুটি।





সেতুটি তৈরির আগে এ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা ছিল বাঁশের সাঁকো।আর বাঁশের সাঁকোর কথা তো সবাই শুনলেন,বর্ষা মৌসুমে চলে নৌকা। বর্ষা মৌসুমে খেয়া পার হতে গিয়ে নৌকা ডুবে ঘটছে হতাহতের ঘটনাও।





পূর্বে সোনারগাঁয়ের সাংসদসহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিগণ শুধু আশ্বাস দিয়ে এসেছেন।কোন প্রতিকার দিতে পারেননি পরবর্তীতে এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জ-৩(সোনারগাঁ)আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা হরিহরদী সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
ইতোমধ্যে সেতুটির কাজ প্রায় শেষ,আশা করা হচ্ছে অল্প কিছু দিনের মধ্যে শুভ উদ্বোধন মাধ্যমে এলাকাবাসী জন্য সেতুটি খুলে দেয়া হবে। এ মহান কাজটি সম্পাদনের জন্য এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ও সাংসদ জননেতা লিয়াকত হোসেন খোকা ও সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতঙ্গতা জ্ঞাপন করেন।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৯২৬৮৭০৭২৭