করোনা কালে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরেছেন রোগী কোথাও মেলেনি চিকিৎসা - আজকের সংবাদ

সদ্য পাওয়া

Home Top Ad

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৯২৬৮৭০৭২৭

Post Top Ad

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৯২৬৮৭০৭২৭

মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২০

করোনা কালে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরেছেন রোগী কোথাও মেলেনি চিকিৎসা


করোনা কালে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরেছেন রোগী কোথাও মেলেনি চিকিৎসা





আজকের সংবাদ ডেস্কঃ হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরেছেন কোথাও মেলেনি চিকিৎসা। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মদনপুর থেকে অবশেষে রোমানা কে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসনে তার স্বামী,ছোট বোন মৌসহ, সেচ্ছাসেবী ও সাংবাদিক মোঃ নুর নবী জনি ।





সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে হাসপাতালে ভর্তির আগে অ্যাম্বুলেন্সে অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় স্বামী তাকে বেঁচে থাকার সাহস দিচ্ছিলেন। ওই ঘটনার কয়েকটি ছবি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে প্রশংসায় ভাসছেন ওই স্বামী। অনেকেই এ ঘটনাকে ভালোবাসার অনন্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।





জানা যায়,নারায়নগন্জ জেলার সাদীপুর ইউনিয়নের বেইলর এলাকার মোস্তফা কামালের মেয়ে রোমানা আক্তার ফুসফুসের সংক্রমণসহ শ্বাসকষ্টে ভোগা রোমানাকে প্রথমে ভর্তি করা হয় নারায়ণগঞ্জ জেলা বন্দর এলাকার আল-বারাকা হাসপাতালে।





ফুসফুসের সংক্রমণসহ শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে মৃত্যুর যন্ত্রণায় যখন কাতরাচ্ছে বোন রোমানা ঠিক তখনি ছোট বোন মৌ এর ফোন পেয়ে মৌ এর বন্ধু ও নারায়ণগঞ্জ-৩(সোনারগাঁ) আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার সেচ্ছাসেবী ও চ্যানেল এস এবং স্বাধীন সংবাদের সাংবাদিক মোঃনুর নবী জনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে তিনিসহ সাংবাদিক হাবিব হাসপাতালে গিয়ে দেখেন রোমানা শ্বাসকষ্টে ভুগছেন রোগির সাথে দুজন মহিলা ছাড়া কেহই ছিলেন না, তাদের ডাকে ডাক্তার বা নার্স একবার এলেও পরে আর আসেনি করোনার ভয়ে, ঠিক তখন তাদের কান্না দেখে সহ্য করতে না পেরে ডাক্তারকে রোগির কাছে আসতে বাধ্য করেন সাংবাদিক নুর নবী জনি ও হাবীব। পরবর্তীতে ডাক্তার চিকিৎসা শেষে বলেন রোগির অবস্থা আশঙ্কাজনক ও অবনতি দিকে ঠিক তখনই ওখান থেকে রিলিজ করে দেন ডাক্তার।





অন্য হাসপাতালে নেয়ার জন্য নেমে রোমানার ভাবি পুতুল মৌ যখন বিভিন্ন অ্যাম্বুলেন্স খুঁজতে থাকে একের পর এক অ্যাম্বুলেন্সকে ভাড়া করতে চাইলেও তারা করোনা রোগি কিনা জিজ্ঞেস করে,জ্বর বা করোনা হলে কোথাও যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন টাকা বেশি দিবে বললেও যেতে চায় না অ্যাম্বুলেন্স অথচ রোমানকে অক্সিজেন ছাড়া নেয়াও সম্ভব না প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় তার।
এদিকে সাংবাদিক নুর নবী জনি অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভারকে বেশি টাকা দিবে ও অনেক রিকোয়েস্ট করার পর ও অ্যাম্বুলেন্স না যেত চাইলে তখনই তার বন্ধু মা হাসপাতালের মালিক রুহুলকে ফোন দিলে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে রুহুল তার কিছুক্ষণ পর তার নিজস্ব এম্বুলেন্স পাঠিয়ে দেয় তখনই মৃত্যু যন্ত্রণায় থাকা রোগীকে নিয়ে সাংবাদিক নুর নবী জনিসহ তার স্বামী ও আত্মীয়-স্বজন চলে যায় হাসপাতালের উদ্দেশ্যে প্রথমে যায় প্রো-একটিভ হাসপাতালে সেখানে প্রায় আধা ঘন্টা দেরি করে ডাক্তার রোগীকে দেখে বলেন যে রোগীর করোনা পরিক্ষা করিয়েছেন কিনা যদি করান তাহলে রিপোর্ট দেখান এবং জ্বর নির্নয় করে জ্বর ১০৩ ডিগ্রী দেখে করোনা সন্দেহে ডাক্তার রোগীকে ভর্তি না নিয়ে ঢাকা নিয়ে যেতে বলেন।
তারপর আবার শুরু হয়ে যায় সেই অজানা অন্য কোন হাসপাতালের খোঁজে বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুড়ে পরবর্তীতে প্রাইভেট হাসপাতালের আসা বাদ দিয়ে চলে যান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।





ঢাকা মেডিকেল কলেজে গিয়ে যখন অ্যাম্বুলেন্সে রোগী রোমানা ও তার স্বামীকে রেখে তারা সবাই ভিতরে যায় ঠিক তখনি প্রথম আলো সাংবাদিক শুভ কান্তি দাস ও মানবজমিনের সাংবাদিক জীবন অ্যাম্বুলেন্সে অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় স্বামী স্ত্রীকে বেঁচে থাকার সাহস দিচ্ছিলেন। ওই ঘটনার কয়েকটি ছবি তুলেন তা বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।





এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে স্বেচ্ছাসেবী ও সাংবাদিক হিসাবে পরিচয় দেয় সাংবাদিক নুর নবী জনি তখন এগিয়ে আসেন একজন নার্স ও একজন ডাক্তার, ডাক্তার সাহেবকে বলে একটি সিট খালি করে ভর্তি করানো হয়। করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থাওসহ বিভিন্ন পরীক্ষা করানো হয়। তবে রোমানা করোনায় আক্রান্ত কিনা তা এখন পর্যন্ত রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৯২৬৮৭০৭২৭