মেঘনা নিউটাউন এলাকায় ফুটপাত দখল করে মার্কেট করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা পরিচয়দানকারী - আজকের সংবাদ

সদ্য পাওয়া

Home Top Ad

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৯২৬৮৭০৭২৭

Post Top Ad

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৯২৬৮৭০৭২৭

শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৯

মেঘনা নিউটাউন এলাকায় ফুটপাত দখল করে মার্কেট করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা পরিচয়দানকারী


মেঘনা নিউটাউন এলাকায় ফুটপাত দখল করে মার্কেট করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা পরিচয়দানকারী





আজকের সংবাদ ডেক্সঃ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন মেঘনা শিল্পাঞ্চল এলাকায় ক্ষমতার প্রভাবে ফুটপাত দখল করে মার্কেট তৈরি করেছেন তাজুল ইসলাম নামের এক শ্রমিকলীগ নেতা। ফুটপাত দখল করে মার্কেট তৈরি করায় পথচারীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।





সরেজমিনে ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন মেঘনা শিল্পাঞ্চল এলাকার মেঘনা নিউটাউন কমপ্লেক্সের সামনের সরকারি জায়গাটি ফুটপাত হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বহুবছর যাবত। এলাকাটি শিল্পাঞ্চল হওয়ায় হাজার হাজার শ্রমিক ও সব শ্রেণী পেশার মানুষ ফুটপাতটির সুফল পাচ্ছিল। এর আগে ১/১১’র সময়ে সরকারি এই জায়গা দখল করে বহুতল ভবন ‘নিউটাউন কমপ্লেক্স’ মার্কেটের একাংশ তৈরি করায় সেই বহুতল ভবনের কিছু অংশ ভেঙ্গে দেয় প্রশাসন। এরপর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে নিজেকে যুবলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তার করে নিউটাউন মার্কেটের সামনে ব্যাক্তিগত একটি অফিস তৈরি করেন মেঘনা এলাকার সাদেক মৌলভীর ছেলে তাজুল ইসলাম। সে সময় থেকে ধীরে ধীরে শুরু করে সম্প্রতি তাজুল ইসলাম পিরোজপুর ইউপি শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক পদ এনে ক্ষমতার দাপটে সেই ফুটপাত পুরোটাই দখল করে নিউটাউন কমপ্লেক্সের সামনের সমস্ত জায়গায় টিন দিয়ে মার্কেট তৈরি করে নিয়মিত চাঁদা নিচ্ছেন। অস্থায়ী প্রতিটি (অন্তত ৪০টি) দোকান থেকে অফেরতযোগ্য ১০ হাজার টাকা করে অগ্রিম নিয়ে মাসে ১ হাজার ৫শ’ টাকা করে ভাড়া হাতিয়ে নিচ্ছেন তিনি। এদিকে দখলকৃত ফুটপাতের ওপর দোকানপাট থাকায় প্রতিদিন কয়েক হাজার জনসাধারণকে পরতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগে। পথচারীরা দূরদূরান্তের বিধায় কিছু বলতে পারে না। স্থানীয়রা তার ভয়ে কিছু বলার সাহস পায়না। ফুটপাত দখলদার শ্রমীক লীগ নেতা তাজুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি প্রতি দোকান থেকে ৫ হাজার করে অগ্রিম নেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন এতে কি কোন সমস্যা আছে? সমস্যা নেই। উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক  আলমগীর হোসেন জানান, শ্রমিক লীগ পরিচয় দিয়ে কেউ অন্যায় করলে তার দায়ভার দল নেবে না, যে অপরাধ করবে সেটা তার ওপর বর্তাবে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত ছিলাম না। এমন হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৯২৬৮৭০৭২৭