আজ পবিত্র ঈদ-উল আজহা। ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী কোরবানি দেওয়া ওয়াজিব। - আজকের সংবাদ

সদ্য পাওয়া

Home Top Ad

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৯২৬৮৭০৭২৭

Post Top Ad

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৯২৬৮৭০৭২৭

শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২০

আজ পবিত্র ঈদ-উল আজহা। ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী কোরবানি দেওয়া ওয়াজিব।


আজ পবিত্র ঈদ-উল আজহা। ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী কোরবানি দেওয়া ওয়াজিব।





আর ওই ওয়াজিব পালন করতে কোরবানির নিয়ম-কানুন জানা জরুরি। না মানলে কোরবানির সব উদ্দেশ্য ভেস্তে যেতে পারে। তাই সঠিক নিয়ম মেনে কোরবানি দেওয়া উচিত।





পবিত্র আল কোরআনের সুরা হজ-এর ৩৭ নং আয়াতে বলা হয়েছে, ‘কোরবানিকৃত পশুর গোশত ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না। কিন্তু পৌঁছে তাঁর কাছে তোমাদের মনের তাকওয়া। যাতে তোমরা আল্লাহর মহত্ত্ব ঘোষণা কর।’





অর্থাৎ কোরবানি হওয়া উচিত শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে।সাধারণত ঈদের নামাজের পরেই কোরবানি দেওয়ার নিয়ম।





জিলহজ মাসের ১০ তারিখ থেকে ১২ তারিখ সন্ধ্যার মধ্যে এ তিন দিন কোরবানি দেওয়া যায়। এ তিন দিনের যেদিন ইচ্ছা, সেদিনই কোরবানি করা যায়। তবে প্রথম দিন কোরবানি করা উত্তম।
কোরবানির পশু নিজেদের হাতে জবাই করা মুস্তাহাব। নিজে জবাই করতে না পারলে অন্য নেককার ও আলেম দিয়ে জবাই করা উত্তম। তবে এসময় নিজে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ভালো। স্ত্রীলোক পর্দা রক্ষার্থে সামনে না থাকলে কোনো ক্ষতি নেই।





ছয় প্রকার গৃহপালিত পশু কোরবানি দেওয়া যায়। যেমন : উট, গরু, মহিষ, দুম্বা, ভেড়া ও ছাগল। নিত্য প্রয়োজনীয় আসবাব ছাড়া যার কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ আছে অর্থাৎ সাড়ে সাত তোলা সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপা কিংবা এর সমান মূল্যের জিনিসপত্র অথবা নগদ টাকা বা ব্যবসার মালামাল আছে, তার জন্য কোরবানি করা ওয়াজিব।





ভেড়া, দুম্বা ও ছাগল একজনের পক্ষ থেকে একটি কোরবানি করতে হবে। আর গরু, মহিষ ও উট অনূর্ধ্ব সাতজন শরিক মিলে কোরবানি করতে পারবে।





শরিকে কোরবানির ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়। তা হলো : কোরবানি বা আকিকার সুস্পষ্ট নিয়ত করা, শরিকদের ভাগের টাকায় কম-বেশি না হওয়া এবং কোরবানির পশুর গোশত সমানভাবে বণ্টন করা।





কোরবানির পশুর ওপর ওঠা বা সেটি দিয়ে কোনো কাজ করানো যেমন, হালচাষ করা, পানি ওঠানো, গাড়ি টানানো ইত্যাদি মাকরুহ। কেউ এরূপ করে ফেললে সেই পরিমাণ মজুরি সদকা হিসেবে দরিদ্রদের দিয়ে দিতে হবে।





এমনকি কোরবানির পশুর দুধ দোয়াও জায়েজ নয়, যদি কেউ ভুল করে বা পশুর কষ্ট লাঘবের জন্য দুধ দোহন করে, তবে তাও সদকা হিসেবে দিয়ে দিতে হবে।
কোরবানির গোশত তিন ভাগ করা মুস্তাহাব। নিজ ও নিজ পরিবার পরিজনের জন্য এক ভাগ, আত্মীয়-স্বজনের জন্য এক ভাগ ও ফকির-মিসকিনদের জন্য এক ভাগ। পরিবারের লোকসংখ্যা বেশি হলে, নিজেদের জন্য পরিমাণে বেশি রাখা যাবে। কিন্তু মান্নতের কোরবানির ক্ষেত্রে সব গোশতই সদকা করা ওয়াজিব।





কোরবানি করা পশুর চামড়া বিক্রি না করে দান করা যাবে। আর বিক্রি করলে তার মূল্য সদকা করা ওয়াজিব।
হজরত ইব্রাহিম (আ.) তাঁর অতি আদরের পুত্র হজরত ইসমাঈল (আ.)-কে আল্লাহর সন্তুষ্টির নিয়তে কোরবানি করেন। কিন্তু আল্লাহর অশেষ মহিমায় পুত্রের পরিবর্তে দুম্বা কোরবানি হয়।
সেই থেকে মানুষের ভেতরের পশুত্ব, সব খারাপ ও নোংরামিকে কোরবানি করাই কোরবানির মূল উদ্দেশ্য।তাই শুধু প্রতীকী কোরবানি নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় সঠিক নিয়ম মেনে কোরবানি করে মানুষ নিষ্পাপ ও আদর্শ বান্দা হতে পারে।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৯২৬৮৭০৭২৭