ঐতিহাসিক ৭ই মার্চে উপজেলা আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন - আজকের সংবাদ

সদ্য পাওয়া

Home Top Ad

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৯২৬৮৭০৭২৭

Post Top Ad

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৯২৬৮৭০৭২৭

রবিবার, ৭ মার্চ, ২০২১

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চে উপজেলা আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন


ঐতিহাসিক ৭ই মার্চে উপজেলা আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন


আজকের সংবাদ ডেক্সঃ-নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়েছে। 


রবিবার (৭ই মার্চ) সোনারগাঁও উপজেলা চত্তরে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীদের নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুস্পার্ঘ অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম ও সাবেক সাংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সার। 


 এসময় উপস্থিত ছিলেন, মোগরাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরিফ মাসুদ বাবু, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু, সনমান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন সাবু, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রবিন, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি রাসেল মাহমুদ সহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীবৃন্দ। 


উল্লেখ্য যে, ১৯৭১-এর ৭ মার্চের দুনিয়া কাঁপানো ভাষণ বাঙালি জাতির মহান মুক্তিসনদ। ঐতিহাসিক এই ভাষণ জাতীয় সীমানা অতিক্রম করে আন্তর্জাতিক দিগন্তে বাঙালির গৌরবময় পতাকা মর্যাদার সঙ্গে উড্ডীন রেখেছে। ২০১৭-এর ৩০ অক্টোবর জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠান ইউনেস্কো ’৭১-এর সাতই মার্চে প্রদত্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণকে (ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ) বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। যা সমগ্র জাতির জন্য গৌরবের এবং আনন্দের।


আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চেরও সুবর্ণ জয়ন্তী। পঞ্চাশ বছর আগের এই দিনটির জন্যই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জীবনভর সংগ্রাম করেছেন। দীর্ঘ ১৩টি বছর কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে কাটিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সুনির্দিষ্ট করে রাজনীতি করেছেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরই তিনি লক্ষ্য নির্ধারণ করেন ‘একদিন বাংলার ভাগ্যনিয়ন্তা বাঙালীদেরই হতে হবে।’ সেই পথেই তিনি ধীরে ধীরে এগিয়ে গিয়েছেন। মহান ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ভিত্তি স্থাপন করেন। ছয় দফার মধ্য দিয়ে বাংলার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেন। ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিব ও অন্যান্য’ তথা আগরতলা মামলার আসামী হিসেবে ফাঁসিকাষ্ঠে গিয়েছেন। কিন্তু বাঙালির জাতীয় মুক্তির প্রশ্নে আপোষ করেননি; বরং মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছেন। ’৬৯-এর প্রবল গণআন্দোলন-গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা তাঁকে কারামুক্ত করি।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৯২৬৮৭০৭২৭